• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:২২ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল না পেয়ে বাড়ি গেলেন ১৮৬ সুবিধাভোগী

????????????

বিশেষ প্রতিনিধি।। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় চাল না পেয়ে খালি হাতে ফেরত গেছেন ১৮৬ জন কার্ডধারী। এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেশী তার উপর এমন ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন চাল বঞ্চিত এসব সুবিধাভোগীরা। তবে উপজেলা খাদ্য বিভাগের দাবি অনলাইনে সমস্যার কারণে এদের নাম চলতি মাসের মাস্টারোল থেকে বাদ পড়ে গেছে।

জানা যায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় তালিকাভুক্ত কার্ডধারীদের বছরে ৫ মাস ১৫ টাকা দরে ৩০ কেজি চাল ভর্তুকির মাধ্যমে প্রদান করা হয়।

উপজেলা খাদ্য অফিস সূত্রে জানা যায়, খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় গত সেপ্টেম্বর মাসে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নে ৮৮৭৭ জন সুবিধাভোগী চাল পেলেও চলতি মাসে চাল পেয়েছেন ৮৬৯১ জন। এর মধ্যে আলোকঝাড়ী ইউনিয়নে ১২ জন, ভেড়ভেড়ী ইউনিয়নে ০৩ জন, আঙ্গারপাড়া ইউনিয়নে ৩৬ জন, খামারপাড়া ইউনিয়নে ৪১ জন, ভাবকী ইউনিয়নে ৪৩ জন ও গোয়ালডিহি ইউনিয়নে ৫১ জন সুবিধাভোগী এবার চাল পাননি।

মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার ০৩ নং আংগারপাড়া ও ০৬ নং গোয়ালডিহি ইউনিয়ন পরিষদ ঘুরে দেখা যায়, ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে চাল বিতরণ কার্যক্রম চলছে। এসময় কিছু কার্ডধারী চাল নিতে এসে মাস্টারোলে নাম না পেয়ে খালি হাতে ফেরত যায়। যাদের এই মাসের মাস্টারোলে নাম নাই তাদের কার্ডের ফটোকপি জমা নিচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বরত ব্যক্তিরা।

আংগারপাড়া ইউনিয়নের কার্ডধারী সাইদুল ইসলাম বলেন, আমার দরিদ্র পরিবার। ১৫ টাকা দামে ৩০ কেজি চাল পেয়ে সংসারের অনেক উপকার হয়। কিন্তু ইউনিয়ন পরিষদে এমাসে চাল তুলতে গিয়ে শুনি আমার নাম নেই। এতে  অর্থনৈতিক ভাবে কষ্টে পড়তে হবে।

গোয়ালডিহি ইউপি চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন লিটন বলেন, গত মাসে চাল পেলেও এই মাসে চাল নিতে এসে অনেকে ফেরত চাচ্ছে। এতেই তাঁরা সংক্ষুব্ধ হচ্ছে। তবে যারা ফেরত যাচ্ছে তাদের কার্ডের ফটোকপি নেওয়া হচ্ছে পরবর্তী সময়ে উপজেলা খাদ্য বিভাগের সাথে তাদের বিষয়ে কথা বলা হবে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. মাসুদ রানা মুঠোফোনে বলেন, অনলাইনে সমস্যার কারণে কিছু কার্ডধারী চলতি মাসে চাল পাননি। খাদ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে দ্রুত যেন এই সমস্যা সমাধান হয়। তিনি আরো বলেন আগামীতে যেন এমন সমস্যা না হয় সেই জন্য উপজেলা খাদ্য বিভাগ আমরা সজাগ ও তৎপর আছি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.তাজ উদ্দিন বলেন, চাল না পেয়ে কার্ডধারী ব্যক্তির ফেরত যাওয়ার বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। এই সমস্যার সমাধানে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ